echo ' তৃণমূলের বিকল্প বিজেপিতে কারা জায়গা পাচ্ছেন? যিনি সদর্পে বলেন তিনজনকে পায়ের তল দিয়ে পিশে দিয়েছি! - The Bengal Express - Bengali News Portal / Bangla khobor / Kolkata 24X7 / Bangla Live / Bengal 24

Header Ads

তৃণমূলের বিকল্প বিজেপিতে কারা জায়গা পাচ্ছেন? যিনি সদর্পে বলেন তিনজনকে পায়ের তল দিয়ে পিশে দিয়েছি!

বেঙ্গল ডেস্ক(Special Article): ১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির চোখধাঁধানো ফলাফলে অনেক রাজনৈতিক পন্ডিত চোখে সর্ষে ফুল দেখেছেন৷কংগ্রেসের নেতৃত্বে মহাজোট কিংবা আঞ্চলিক দলগুলির স্বপ্নের ফেডারেল ফ্রন্ট কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে৷বাম দলগুলির অবস্থা আরও খারাপ,তাদের রক্তক্ষরন থামার লক্ষনই নেই,বরং সর্বভারতীয় রাজনীতিতে বাম দলগুলির প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখা বেশ কঠিন!অনেকে রসিকতা করে বলছেন বামেদের এখন জেনারেল বেড থেকে আইসিইউতে পাঠিয়েছে সারা দেশের মানুষ৷প্রশ্ন হল কেন বিজেপি এমন চোখে ধাঁধা লাগার মত সাফল্য পেল?সর্বোপরি যে বাংলায় বিজেপি কখনও বলার মত সাফল্য পায়নি,কিংবা তাদের সাংগঠনিক শক্তির প্রতি এখনও অনেক রাজনৈতিক বোদ্ধার তেমন শ্রদ্ধা নেই,তারা কিভাবে রাজ্য থেকে ১৮টি সিট জিতলেন৷
বলা বাহুল্য দু-চারটে আসন বাদ দিলে তৃণমূলের জেতা আসনগুলিতে  বিজেপি বনাম তৃণমূলের সমানে সমানে ডুয়েল ছিল চোখে পড়ার মত৷ বিরোধীদের মূলত কংগ্রেসের রাফাল দুর্নীতি নিয়ে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ মানুষ আদৌ বিশ্বাস করেনি,চৌকিদার চোর হ্যায় স্লোগানে মানুষ কর্ণপাত করেনি,সারাদেশে গেরুয়া ঝড়ে সেই কথাই প্রমানিত হয়েছে৷ বাস্তব ঘটনা হল সরকারের বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলতেই পারেনি বিরোধীরা৷যে অভিযোগগুলি বিরোধীরা তুলছেন সেক্ষেত্রে অভিযোগের স্বপক্ষে বিশ্বাসযোগ্য প্রমান তারা দিতে পারেন নি৷
সবমিলিয়ে বোঝা যাচ্ছিল
ভোটের আগে গেরুয়া শিবিরে যতেষ্ট স্বস্তির ছাপ আছে৷
দেশজুড়ে ছন্নছাড়া বিরোধীরা মোদি বিরোধী হাওয়া তোলার চেষ্টা করলেও সেই পালে হাওয়া লাগেনি,দ্বিতীয় বারের জন্য বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপির ক্ষমতা দখল সেই কথাই প্রমান করছে৷এ না হয় গেলো দেশের কথা,কিন্তু বাংলায় বিজেপির এই বিপুল উত্থানের কথা কি একবারও ভাবতে পেরেছিলেন তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে বাম,কংগ্রেস নেতারা?তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে কর্মী,সমর্থকরা মুখে স্বীকার না করলেও তারাও আশঙ্কা করেছিলেন বাংলায় বিজেপি ভাল ফল করতে পারে৷তারা হয়ত ভেবেছিলেন ২০০৯থেকে তৃণমূলের যে জয়ের নিশান প্রতিটি নির্বাচনে উড়ছে সেটি বোধহয় কখনও শ্লথ হবে না,বা জনগন কখনও তৃণমূলের থেকে মুখ ফেরাবে না৷বা তৃণমূল অপরাজেয়,তারা হারতে পারেন না!আসলে ২০০৯-এর লোকসভা নির্বাচনের আগেও বাম নেতারা বিশ্বাস করতেন না,তারা হারতে পারেন!জনগন তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে৷কিন্তু ২০০৯-এর লোকসভা নির্বাচন দেখিয়ে দিয়েছিল মানুষ মুখ ফেরাচ্ছেন বামেদের থেকে,দেওয়াল লিখনটা পড়া যাচ্ছিল,মানুষ বুঝতে পারছেন ১১-এর বিধানসভা নির্বাচনে পরিবর্তন অবশম্ভাবি৷বাস্তবে সেটাই ঘটেছিল,৩৪বছরের বাম শাসন মুক্ত করে তৃণমূলের নেতৃত্বে বাংলায় পরিবর্তনের সুচনা,রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷কিন্তু কি এমন হল মাত্র ৮ বছরেই তৃণমূলের থেকে মুখ ফেরাতে শুরু করেছেন রাজ্যের বেশিরভাগ মানুষ৷এর অনেকগুলি কারন আছে৷প্রথমত তৃণমূল সর্বস্ব দখলদারির রাজনীতি থেকে রাজ্যের সর্বত্র বিরোধী শুন্য করার প্রয়াস মানুষ ভাল চোখে দেখেন নি৷দুই রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ডিএ বকেয়া রেখে সমাজের এলিট শ্রেনীর মানুষের অসন্তোষের মুখে পড়েছে রাজ্যের শাসক দল৷
ক্লাবগুলিকে কাছে টানতে সরকারি টাকা বিলিকে সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে৷বিভিন্ন এলাকায় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে শাসক দলের অনেক নেতাকে রীতিমত ঘুষ দিতে হয়েছে বলে অভিযোগ৷সচারাচার প্রান্তিক মানুষেরা সরকারি ঘর সহ অন্যান্য সুবিধা পান,বহুক্ষেত্রে অভিযোগ কোথাও দুই পাঁচ হাজার  টাকা থেকে প্রাপ্য টাকার অর্ধেক শাসক দলের প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধিদের দিয়েই তবেই ঘরের টাকা পেয়েছেন গরিব মানুষ৷নিরূপায় সেই মানুষগুলি তখন সেই শর্ত মেনে নিলেও নিজের হকের টাকা শাসক দলের নেতা,জনপ্রতিনিধিকে ভাগ দিতে বাধ্য হওয়ায় তাদের রোষ তৃণমূলের বিরুদ্ধে ইভিএমে প্রতিফলিত হয়েছে৷উচ্চ মাধ্যমিকে রেজাল্ট আউটের পর রাজ্যের মেধাবি অথচ দরিদ্র্য শ্রেনীর ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকরা চিন্তায় পড়তেন কিভাবে নিজের সন্তানকে অনার্স পড়ার সুযোগ দেওয়া হবে৷কারন ছাত্র সংসদের নামে শাসক দলের ছাত্র নেতারা প্রকাশ্যে বিভিন্ন কলেজে অনার্স পাইয়ে দেওয়ার নামে হাজার হাজার টাকা অভিভাবকদের থেকে নিয়েছেন বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম খবর করেছে৷রাজ্য জুড়ে রাস্তাঘাট থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কিছু উন্নয়ন হয়েছে৷তবে ঠিকাদাররা অভিযোগ করছেন রাজ্যের বহু এলাকায় সরকারের বরাদ্দ করা অর্থের একটি অংশ শাসক দলের জনপ্রতিনিধি থেকে নেতাদের না দিতে হলে কাজের মানের আরও উন্নয়ন করা যেতো৷১০০দিনের কাজ নিয়ে মানুষের বিস্তর অভিযোগ আছে৷১০০দিনের কাজ নিশ্চিতভাবে বহু প্রান্তিক মানুষকে কিছুটা রিলিফ দিলেও অনেকের অভিযোগ এখানেও বিস্তর দুর্নীতি আছে৷পুলিশকে বিরোধীরা দলদাস বলে কটাক্ষ করলেও পুলিশের স্বাধীনভাবে কাজের ক্ষেত্রে শাসক দলের নানা নেতার অনভিপ্রেত প্রভাব খাটানোর চেষ্টা খোদ পুলিশ কর্মীদের বিরাট অংশ ভাল চোখে দেখেন নি তারা তাদের একান্ত আলাপচারিতায় কাছের মানুষদের কাছে স্বীকার করেছেন৷
সর্বোপরি আছে চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে শাসক দলের সঙ্গে যুক্ত অনেকের নাম জড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ৷সত্যি কথা বলতে কি তৃণমূলের বিরুদ্ধে এই সব পুঞ্জীভূত ক্ষোভ বিন্দু থেকে সিন্ধুতে রূপান্তরিত হতে সময় লাগল মাত্র ৩বছর৷হয়ত দুর্নীতি  নিয়ে শাসকের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ সত্য নয়,আবার হয়ত অনেকাংশে সত্যি৷ শাসক তৃণমূল কিন্তু  বরাবর স্বচ্ছতার কথা বলে,যদি সত্যিই এই অভিযোগ সঠিক হয়,তবে একথা বলতে হবে তৃণমূলকেও শুদ্ধিকরণে জোর দিতে হবে৷ মোদ্দা কথা মানুষ বিকল্প খুঁজছিলেন,কংগ্রেস,বাম কেউই তৃণমূলকে হারাতে পারে এই বিশ্বাসটা মানুষ হারিয়েছিলেন ২০১৬-এর পর থেকেই৷কাঁথি বিধানসভার উপনির্বাচনে বিজেপির দ্বিতীয় স্থান পাওয়ায় পরিস্কার হচ্ছিল রাজ্যে আগামী দিনের লড়াই তৃণমূল বনাম বিজেপি৷পঞ্চায়েতে বিরোধীদের মনোনয়নে বাঁধা দান,৩৪%এলাকার মানুষের ভোট না দিতে পারার ক্ষোভ সবই কিন্তু তৃণমূলের বিপক্ষে গিয়েছে৷কোনও সন্দেহ নেই তৃণমূল বিরোধী বিপুল সংখ্যক মানুষের ভোট কিন্তু পেয়েছে বিজেপি৷কারন মানুষ বিকল্প খুঁজছিলেন,বাম-কংগ্রেসকে তারা ভরসা করতে পারেন নি,বরং তাদের মনে হয়েছিল বিজেপি সুরক্ষা দিতে পারে,বিজেপির ছাতার তলায় থাকলে তৃণমূলের পাল্টা রাজনৈতিক কর্মসুচী চলিয়ে যাওয়া সম্ভব৷রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ থেকে মুকুল রায়,লকেট চট্টোপাধ্যায়,সায়ন্তন বসুরা বারবার আক্রাম্তদের পাশে থেকে বার্তা দিয়েছেন নীচুতলার কর্মীদের পাশে তারা থাকবেন৷তারই সুফল ঘরে তুলল বিজেপি৷এরসঙ্গে মোদি সরকারের পাকিস্থানকে  সমুচিত শিক্ষা দেওয়া,দুর্নীতিহীন ভাবে সরকার পরিচালনা,অমিত শাহ,মোদির বাংলায় ভোটের পূর্বে নিয়মিত সভা,সবমিলিয়ে   বঙ্গ বিজেপিকে ব্যাপক ডিভিডেন্ট দিয়েছে৷অমিত শাহের ২৩আসনের দাবি নিয়ে যারা কটাক্ষ করেছিলেন, তারাই রাজ্যে বিজেপির ১৮আসন জয়ের পর বিশ্বাস করেছেন ২১-এর ভোটে আর একবার পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল৷তবে ১৯এর ভোটে কি হবে বলবে ভবিষ্যত কিন্তু রাজ্যে বামেরা যে ক্রমশ অপ্রাসঙ্গিক হচ্ছে সেটি বলার অপেক্ষা রাখে না৷ভোটের আগে একটি ব্রিগেড,কিংবা একটি লঙ মার্চে মানুষ প্রভাবিত হন না৷
বরং নিয়ম করে রাজনৈতিক কর্মসুচী পালন করতে হয়,প্রত্যম্ত এলাকায় শাসকেরy হাতে আক্রান্ত কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে হয়৷শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজনৈতিক বিরোধীদের ট্রল করে,কিংবা
ব্রিগেডে বিপুল জনসমাবেশের সেলফি আপলোড করে জনগনকে প্রভাবিত করা যায় না,ভোটে জেতা যায় না৷ভোটে জিততে নীচু তলার কর্মীদের পাশে থাকতে হবে,তাদের মনোবল বাড়াতে হবে,বার্তা দিতে হবে পাশে আছে নেতারা৷যে কাজটি বাম নেতারা পারেন নি,সেই কাজটি বিজেপির নেতারা করেছেন৷স্বভাবত রাজ্যের তৃণমূল বিরোধী মানুষের বিপুল সমর্থন পেয়েছে বিজেপি৷দ্বিতীয়বার ফের কেন্দ্রে মোদি সরকার,রাজ্যে ১৮জন সাংসদ৷আগামী দিনে তৃণমূল বিরোধী ঝড় আরও তীব্র করতে নিশ্চিতভাবে বিজেপি সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাবে৷হয়ত নিয়ম করে তৃণমূল থেকে বিধায়ক কাউন্সিলরদের ভাঙানো হবে৷এটা ঠিক তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে ধ্বস না নামাতে পারলে বাংলায় বিজেপির পক্ষে পরিবর্তন ঘটানো কঠিন৷স্বভাবত তৃণমূল,কংগ্রেস বা বামেদের জনপ্রতিনিধিদের দলে টেনে সাংগঠনিক শক্তিকে মজবুত করতে চাইছেন বিজেপির বঙ্গ ব্রিগেড,নিশ্চয়ই এই ব্যাপারে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সায় আছে৷তবে শুধুমাত্র সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে বিজেপির মত আদর্শ মেনে চলা দলে সুযোগ পেতে পারেন যে কেউ অন্তত লাভপুরের বিধায়ক মনিরুল ইসলামকে দলে না নিলে কেউ  প্রশ্ন তুলতেন না৷যে মানুষটি সদর্পে বলতে পারে তিনজনকে পায়ের তল দিয়ে পিশে দিয়েছি,যার বিরুদ্ধে বাম,বিজেপি নিয়মিত আন্দোলন করেছেন সেই মনিরুল ইসলামের বিজেপিতে যোগদানে নিশ্চিতভাবে সেই মানুষদের কাছে বার্তা যাবে তাহলে কি সাধারন বিজেপি কর্মী,সমর্থক থেকে যারা তৃণমূলকে রুখতে বিজেপিতে ভোট দিয়েছিলেন তাদের আবেগের মূল্য কি বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে নেই৷দল এখনও ক্ষমতায় আসেনি,দল বড় করার অধিকার নিশ্চয়ই বিজেপির অগ্রাধিকারের তালিকায় পড়ে,কিন্তু যাদের বিরুদ্ধে দলের কর্মী,সমর্থক থেকে সাধারন মানুষ সোচ্চার হয়েছেন তেমন জনপ্রতিনিধিকে দলে নিলে নিশ্চয়ই বিজেপির বঙ্গ ব্রিগেডের নেতৃত্বের দিকে আঙুল তুলবেন কর্মী,সমর্থক থেকে সাধারন মানুষ যারা তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের বিকল্প হিসেবে বিজেপিকে বেছে নিয়েছেন৷ আশা করা যায় ভবিষ্যতে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব তেমন কোনও নেতা বা জনপ্রতিনিধিকে দলে স্থান দেবেন না যাদের নামে কেবল কর্মী,সমর্থক নয়,তৃণমূল বিরোধী মানুষদের ভুরি,ভুরি অভিযোগ আছে৷ বাংলায় বিকল্প শক্তি হিসেবে বিজেপির উত্থান চোখে পড়ার মত,তবে কর্মী,সমর্থক থেকে সাধারন মানুষের আবেগকে মূল্য দিতে হবে যারা কার্যত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে,মার খেয়েও তৃণমূল বিরোধীতায় এতটুকু পিছপা হন নি৷যদিও এখনও যারা বাম কিংবা কংগ্রেসে ভোট দিয়েছেন অথচ মনেপ্রানে তৃণমূল বিরোধী সেইসব মানুষদের ভোট কিন্তু ২১এর রাজ্য সরকার গড়ার ভোটে যদি বিজেপির দিকে চলে যায় অবাক হবেন না রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা৷অনেকেই বলছেন  রাজ্যে একক শক্তিতে  ১৮টি আসন জিতে বাংলার মানুষের হৃদয় জিতেছে বিজেপি,আগামীদিনে তাদের নেতৃত্বে রাজ্যে নতুন সরকারের স্বপ্ন দেখছেন অনেকেই৷তবে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে মনে রাখতে হবে মানুষ ভোট না দিলে তারা এত বিপুল আসন বাংলায় জিততেন না,তাদের আবেগকে গুরুত্ব না দিয়ে শুধুমাত্র সংখ্যার খেলায় তৃণমূলকে টক্কর দিতে এমন জনপ্রতিনিধিকে দলে জায়গা দেওয়া উচিৎ নয়,যিনি সদর্পে বলতে পারেন তিন জনকে পায়ের তল দিয়ে পিশে দিয়েছে৷
Loading...

No comments

Theme images by centauria. Powered by Blogger.